ইরাকে আশ্রয় নেওয়া আইএস–সংশ্লিষ্ট তুর্কি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে আঙ্কারা। অন্যান্য দেশের সঙ্গেও নাগরিক প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Fuad Hussein। তিনি বলেছেন, বিদেশি যোদ্ধাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়ে বিচার নিশ্চিত করতে হবে—এ বিষয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সিরিয়া থেকে ইরাকে স্থানান্তর
মার্কিন সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে হাজারো আইএস সন্দেহভাজনকে ইরাকে স্থানান্তর করা হয়। কুর্দি বাহিনী শিবির ও কারাগারগুলো বন্ধ করে দিলে বন্দিদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। প্রায় এক দশক ধরে এসব ক্যাম্পে আটক ছিল আইএস সংশ্লিষ্ট যোদ্ধা, নারী ও শিশুরা। পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় বাগদাদ তাদের গ্রহণ করে।
তুরস্কের সিদ্ধান্ত
এক বৈঠকে ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তুরস্ক তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে। মার্কিন বিশেষ দূত Tom Barrack–এর সঙ্গে আলোচনায় তিনি বলেন, অন্য দেশগুলোর সঙ্গেও প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা চলছে। বিদেশি যোদ্ধাদের বিচার ও পুনর্বাসন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রেক্ষাপট
২০১৪–১৭ সালে আইএস স্বঘোষিত খেলাফত প্রতিষ্ঠা করে সিরিয়া–ইরাকজুড়ে বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল। এক সময় লাখো মানুষের ওপর শাসন চালালেও আন্তর্জাতিক জোটের সামরিক অভিযানে তাদের পতন ঘটে। তারপরও হাজারো বিদেশি যোদ্ধা ওই অঞ্চলে থেকে যায়।
ইরাক জানিয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তারা নিজস্ব বিচারব্যবস্থায় অনেককে বিচার করবে। তবে বিদেশি নাগরিকদের নিজ দেশে বিচার করা দীর্ঘমেয়াদে বেশি কার্যকর সমাধান বলে মনে করছে বাগদাদ। এখন প্রশ্ন—আর কোন কোন দেশ তুরস্কের মতো দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসবে?
চাইলে আমি এ বিষয়ে বিশ্লেষণ বা সারসংক্ষেপও করে দিতে পারি।
সিএ/এসএ


