কোরআন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে কেবলমাত্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশনের ওপর নির্ভর করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি নাজির আয়্যাদ। তিনি বলেছেন, এভাবে কোরআনের ব্যাখ্যা করা ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী অনুমোদনযোগ্য নয় এবং এতে কোরআনের অর্থ বিকৃত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
দার আল ইফতা আল মিসরিয়্যাহর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি জানান, কোরআনের অর্থ নির্ধারণ বা ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে এআই টুল ব্যবহার করা ইসলামী আইনে নিষিদ্ধ।
গ্র্যান্ড মুফতির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই সতর্কবার্তার উদ্দেশ্য হলো কোরআনকে অনুমান ও কল্পনাভিত্তিক ব্যাখ্যা থেকে রক্ষা করা। যথাযথ জ্ঞান ও প্রামাণ্য আলেমি ভিত্তি ছাড়া কোরআনের ব্যাখ্যা প্রচার হলে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, কোরআনের তাফসির কেবল তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত, যাদের কাছে তাফসির ও ফিকহের স্বীকৃত পদ্ধতি ও উপকরণ রয়েছে। ইতিহাসজুড়ে যোগ্য মুফাসসির ও আলেমরাই এই দায়িত্ব পালন করে এসেছেন।
বিশেষজ্ঞদের যাচাই ছাড়া কোরআনের আয়াতের সঙ্গে কোনো অর্থ যুক্ত করা হলে তা কোরআনের পবিত্রতা ও নির্ভরযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে গ্র্যান্ড মুফতি বলেন, কোরআনের আয়াত বুঝতে চাইলে প্রামাণ্য তাফসির গ্রন্থ অধ্যয়ন করা কিংবা বিশ্বাসযোগ্য আলেম ও স্বীকৃত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। এতে ব্যাখ্যা সঠিক জ্ঞান ও গবেষণার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং কোরআনের পবিত্রতাও সুরক্ষিত থাকবে।
সিএ/এমআর


