দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ব্যস্ত নগরজীবন, রমজানের উৎসবমুখর সন্ধ্যা, বাজারের ভিড়—সবকিছুর মাঝেই নিঃশব্দে ছড়িয়ে পড়ছে এক পুরনো কিন্তু ভয়ংকর রোগ। মালয়েশিয়া জুড়ে হঠাৎ বেড়ে গেছে যক্ষ্মা সংক্রমণ, আর তাই দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জারি করেছে বিশেষ সতর্কতা।
মাত্র এক সপ্তাহেই—৮ থেকে ১৪ তারিখের মধ্যে—নতুন শনাক্ত হয়েছে ৫৯৬ জন রোগী। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩,১৭১-এ। সংখ্যাটা হয়তো মহামারির মতো শোনায় না, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন—যক্ষ্মার বিপদ এখানেই, এটি দ্রুত নয়, ধীরে ধীরে কিন্তু গভীরভাবে ছড়ায়।
রমজান মাসে ইফতার বাজার, পারিবারিক জমায়েত, মসজিদে ভিড়—সব মিলিয়ে মানুষের চলাচল বেড়ে যাওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। বিশেষ করে কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি যদি এখনো চিকিৎসা না নেন, তাহলে বদ্ধ ও ভিড়পূর্ণ স্থানে অন্যদের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিড-১৯ এর মতো হঠাৎ বিস্ফোরণের মতো ছড়ায় না যক্ষ্মা। কিন্তু এটি দীর্ঘস্থায়ী, বারবার সংক্রমণ ঘটাতে পারে এবং চিকিৎসা না নিলে প্রাণঘাতীও হতে পারে।
তাই জনসাধারণকে দেওয়া হয়েছে কিছু জরুরি পরামর্শ—
ভিড় বা বদ্ধ স্থানে মাস্ক পরা
কাশি-হাঁচির শিষ্টাচার মেনে চলা
ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা
দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যক্ষ্মার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো সচেতনতা এবং দ্রুত চিকিৎসা। কারণ সময়মতো শনাক্ত হলে এই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।
নীরবে ছড়ালেও, সতর্ক থাকলে এই পুরনো আতঙ্ককে আবারও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব—এটাই এখন মালয়েশিয়ার বার্তা।
চাওয়া হলে আমি এটাকে ফেসবুক পোস্ট স্টাইল, নিউজ ক্যাপশন, বা শর্ট ভিডিও স্ক্রিপ্ট হিসেবেও সাজিয়ে দিতে পারি।
সিএ/এসএ


