সিলেট-1 (মহানগর ও সদর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর প্রথমবার এমপি হয়েই পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি নিজের প্রতিক্রিয়া জানান।
বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এবারই প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সরাসরি মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন তিনি।
প্রতিক্রিয়ায় খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, ‘সিলেটবাসী ও দেশবাসীর দোয়া চাইছি। দল যে আস্থা দেখিয়েছে, এর প্রতিদান যেন দিতে পারি।’ পরে তিনি আরও বলেন, ‘দল যে আস্থা দেখিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব। নিজের দায়িত্ব পালনে সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় রাখব।’
১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণকারী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের বাড়ি সিলেট নগরের তোপখানা এলাকায়। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পেশায় ব্যবসায়ী হলেও সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁর সম্পৃক্ততা শুরু হয় ২০১২ সাল থেকে। ২০১৬ সাল থেকে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অতীতে তিনি কখনো জনপ্রতিনিধি ছিলেন না। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
পারিবারিকভাবেও তাঁর রাজনৈতিক ঐতিহ্য রয়েছে। তাঁর বাবা খন্দকার আবদুল মালিক ১৯৭৯, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সিলেট-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছিলেন।
মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির খবরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেছে। জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। দলের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা ও আনুগত্যের মূল্যায়ন তিনি পেয়েছেন। এ জন্য আমরা উচ্ছ্বসিত।’
সিএ/এমই


