ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ছেলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা আবদুল হান্নান মাসউদের পাশাপাশি প্রার্থী হয়েছিলেন তাঁর বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক। তবে ভোটের লড়াইয়ে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে জামানত হারিয়েছেন তিনি। একতারা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন মাত্র ৫০৫ ভোট।
অন্যদিকে তাঁর ছেলে আবদুল হান্নান মাসউদ ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ১১–দলীয় রাজনৈতিক ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
জানা গেছে, আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক ২০২৪ সালের দ্বাদশ নির্বাচনের আগে আলোচনায় আসা বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) থেকে প্রার্থী হন। বাবা-ছেলেসহ এ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
হান্নান মাসউদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকসহ বেশির ভাগ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নির্বাচনে ছেলেকে সহায়তা করতেই আমিরুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছিলেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় নোয়াখালী-৬ আসনের অনেক প্রার্থীই তাঁদের জামানত হারাবেন। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সিএ/এমই


