দেশে ও বিদেশে রমজানের আবহ শুরু হয়ে গেছে। রজব মাসের পর শাবান মাস এলেই মুসলমানদের মধ্যে পবিত্র রমজানের জন্য মানসিক ও বাস্তব প্রস্তুতি নেওয়ার তৎপরতা বাড়ে। প্রত্যেকেই চান রমজান সুন্দরভাবে শুরু হোক এবং এই বরকতময় মাসের প্রভাব ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ইতিবাচক হয়ে উঠুক।
রমজানকে সার্থক ও ফলপ্রসূ করতে আগে থেকেই কিছু পরিকল্পনা নেওয়া জরুরি। রমজানের দিন গণনা শুরু করলে মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়া সহজ হয় এবং অপেক্ষার আনন্দও বাড়ে। একই সঙ্গে রমজান সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন ও পড়াশোনা ইবাদত-বন্দেগি সঠিকভাবে পালনে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
ইবাদতের ক্ষেত্রে কোরআন খতম, তারাবির নামাজ, দান-সদকা ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ইফতার আয়োজনের মতো বিষয়গুলো আগেভাগে পরিকল্পনা করা হলে দৈনন্দিন জীবনে শৃঙ্খলা বজায় থাকে। রমজানের পাশাপাশি যদি পরীক্ষা, বিয়ে বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকে, সেগুলোর প্রস্তুতিও আগে থেকেই সেরে নেওয়া প্রয়োজন।
রমজান কেবল শারীরিক নয়, মানসিক ও আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির মাস। তাই এখন থেকেই নফল নামাজ, রোজা, কোরআন তিলাওয়াত এবং মানবিক আচরণ চর্চার মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করা উচিত। একই সঙ্গে বাজে অভ্যাস পরিহার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সংযম এবং শালীন আচরণে অভ্যস্ত হওয়াও রমজানের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সিএ/এমআর


