মানবসভ্যতা শুরু থেকেই মহাবিশ্ব, পৃথিবী ও জীবনের উৎপত্তি নিয়ে প্রশ্ন করে আসছে। কোরআন এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশ দিয়েছে, যা আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক তত্ত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
কোরআনে বলা হয়েছে, সমস্ত প্রাণের মূল উপাদান হলো পানি। আধুনিক বিজ্ঞানও প্রমাণ করেছে, জীবনের আদিম উপাদান হিসেবে পানি অপরিহার্য।
কোরআনের বর্ণনায় আকাশ ও পৃথিবী আদিতে একত্রিত ছিল এবং পরে তা পৃথক করা হয়। বিজ্ঞান এই ধারণাকে বিগ ব্যাং তত্ত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করে।
ছয়টি সময়কালে পৃথিবী ও আকাশ সৃষ্টির বিষয়টি কোরআনে উল্লেখ রয়েছে। বিজ্ঞানও পৃথিবীর গঠনে বিভিন্ন ধাপ চিহ্নিত করেছে, যা এই ধারণার সঙ্গে মিল রয়েছে।
নক্ষত্র ও গ্রহের উৎপত্তি, মহাবিশ্বের বিস্তৃতি এবং আকাশের স্তরবিন্যাস সম্পর্কেও কোরআনে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান এসব বিষয় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করছে।
কোরআন ও বিজ্ঞান উভয়ই সৃষ্টির পেছনে একটি সুশৃঙ্খল ও উদ্দেশ্যপূর্ণ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে। এই জ্ঞান মানুষকে কেবল কৌতূহল মেটায় না, বরং জীবন ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে।
সিএ/এমআর


