দৈনন্দিন জীবনে ছোটখাটো অসুবিধা ও বিরক্তির মুখোমুখি হওয়া স্বাভাবিক। ট্রাফিক জ্যাম, দীর্ঘ অপেক্ষা, কারো খারাপ আচরণ কিংবা প্রযুক্তিগত সমস্যার মতো বিষয়গুলোই ধৈর্যের প্রকৃত পরীক্ষা নেয়। ইসলাম এসব ছোট মুহূর্তকেই সংযম ও ধৈর্যের বড় সুযোগ হিসেবে দেখেছে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য চাইতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং ধৈর্যশীলদের সঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এতে বোঝা যায়, বড় বিপদের পাশাপাশি দৈনন্দিন ছোট সমস্যাতেও ধৈর্যধারণ গুরুত্বপূর্ণ।
হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষের সঙ্গে মিশে তাদের বিরক্তি সহ্য করার প্রতিদান বেশি। এমনকি সামান্য কষ্ট বা দুশ্চিন্তাও ধৈর্যের সঙ্গে সহ্য করলে তা গুনাহ মাফের কারণ হতে পারে।
নবীজির জীবনে ধৈর্যের বহু উদাহরণ রয়েছে। অপমান বা কষ্টের মুখেও তিনি কখনো প্রতিশোধ নেননি, বরং সংযম ও সহনশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
ইসলাম দৈনন্দিন জীবনে ধৈর্যচর্চার ব্যবহারিক দিকনির্দেশনাও দিয়েছে। রাগের সময় চুপ থাকা, আল্লাহর স্মরণ করা, অজু করা কিংবা কষ্টের মুহূর্তে আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া—এসব আমল মনকে শান্ত রাখে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট সমস্যায় ধৈর্যধারণ মানুষের চরিত্রকে দৃঢ় করে, সম্পর্ককে সুন্দর করে এবং জীবনকে সহজ করে তোলে। কারণ প্রকৃত ধৈর্যের প্রকাশ ঘটে দৈনন্দিন এই ছোট পরীক্ষাগুলোতেই।
সিএ/এমআর


