বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ফেনী জেলার নানাবাড়িতে পা রাখবেন। সদ্য প্রয়াত দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার পিতৃভূমি হিসেবে পরিচিত এই জেলা বিএনপির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
সবশেষ ২০০৬ সালে জেলা সফর করেছিলেন তারেক রহমান। তখন তিনি ছাগলনাইয়ায় শিল্পপতি এম এ কাশেমের ছেলে তারেক কাশেম স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ২০ বছর পর আবারও তিনি নানাবাড়ি আসছেন। সব কিছু ঠিক থাকলে রবিবার বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম থেকে সড়কপথে ফেনী শহরে পৌঁছে পাইলট হাই স্কুল মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন। তবে ব্যস্ততার কারণে নানার বাড়িতে যাওয়া সম্ভব হবে না।
শনিবার সকালে সরেজমিনে ফেনী পাইলট মাঠ পরিদর্শন করা হলে দেখা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে নেতাকর্মীরা জনসভার প্রস্তুতি এবং তারেক রহমানের আগমনের খবর জানতে মাঠে ভিড় করছেন। জেলা বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, ফেনী খালেদা জিয়ার পিতৃভূমি হওয়ায় এ জেলার নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাপক মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ধানের শীষ ও তারেক রহমানকে বিজয়ী করতে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসছেন।
ফেনী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু বলেন, প্রিয় নেতাকে বরণ করার জন্য আমরা প্রস্তুত। ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল জানান, তারেক রহমানের আগমনে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং লাখ লাখ মানুষ জনসভায় অংশ নেবেন।
জেলার পাশাপাশি তারেক রহমানের আগমনে আশপাশের জেলা, বিশেষ করে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর থেকেও হাজার হাজার মানুষ সমাগম করবে। জনসভায় তিনি এই তিন জেলার ১৩ জন এমপি প্রার্থীকে ভোটারদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবেন এবং জেলার উন্নয়নের বিভিন্ন সমস্যা জানবেন। ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব নবী বলেন, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের এমপি প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা জনসভায় অংশ নেবেন এবং ফেনী পাইলট স্কুলের জনসভা জনসমুদ্রে রূপ নেবে ইনশাআল্লাহ।
সিএ/এএ


