জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁদের দেখভাল নিশ্চিত করতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি পৃথক বিভাগ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলটি আগামী দিনে সরকার গঠন করতে পারলে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।
রোববার রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ভূমিকা ও ত্যাগের বিষয়টি তুলে ধরে তাঁদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন। ঠিক একইভাবে চব্বিশে যে যোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন, তাঁরা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যুদ্ধ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘একাত্তরে যুদ্ধ হয়েছে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার। সেই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আবার চব্বিশে যুদ্ধ হয়েছে।’ তার বক্তব্যে জুলাই আন্দোলনকে দেশের গণতান্ত্রিক ও সার্বভৌম অধিকার রক্ষার ধারাবাহিক সংগ্রামের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোর জন্য বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামী দিনে সরকার গঠনে সক্ষম হলে এই শহীদ পরিবার যাঁরা আছেন, জুলাই যোদ্ধা যাঁরা আছেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার বা যোদ্ধা যাঁরা আছেন, তাঁদের কষ্টগুলোকে কিছুটা হলেও যাতে আমরা সমাধান করতে পারি।’
তিনি বলেন, ‘যারা হারিয়ে গেছে, তাদের তো আমরা ফিরে পাব না। কিন্তু সেই পরিবারের কষ্টগুলো, বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা যাতে দেখভাল করতে পারি, এই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে আমরা আরেকটি ডিপার্টমেন্ট তৈরি করব। তাদের দায়িত্ব হবে এই মানুষগুলোর দেখভাল করা।’
সিএ/এসএ


