স্মার্টফোন ও স্মার্ট ডিভাইসে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ব্যবহার সহজ হলেও মাঝেমধ্যে নানা প্রযুক্তিগত সমস্যার মুখে পড়তে হয় ব্যবহারকারীদের। এর মধ্যে সবচেয়ে বিরক্তিকর সমস্যা হলো ডিভাইস হ্যাং হয়ে যাওয়া। হঠাৎ স্ক্রিন আটকে যাওয়া, অ্যাপ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা ফোনের গতি কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিতে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হয়।
প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস হ্যাং হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো মেমোরির ওপর অতিরিক্ত চাপ। একসঙ্গে অনেকগুলো অ্যাপ চালু থাকলে এবং পর্যাপ্ত র্যাম না থাকলে ডিভাইসের গতি ধীর হয়ে যায়। বিশেষ করে ইন্টারনাল মেমোরিতে বেশি অ্যাপ ইনস্টল থাকলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়।
অনেক সময় দীর্ঘদিন ধরে কুকিজ, ক্যাশ এবং লগ ফাইল পরিষ্কার না করলে সেগুলো মেমোরিতে জমে যায়। এতে স্টোরেজ জ্যাম হয়ে ডিভাইস হ্যাং করতে শুরু করে। পুরোনো বা ধীরগতির ডিভাইস হলে এই সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করে। পাশাপাশি ডিভাইসের সক্ষমতার তুলনায় ভারী গেম বা বড় অ্যাপ ব্যবহার করলেও হ্যাং হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সমস্যা কমাতে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। নতুন কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার ক্ষেত্রে সম্ভব হলে মেমোরি কার্ড ব্যবহার করতে হবে এবং ইন্টারনাল মেমোরি যতটা সম্ভব ফাঁকা রাখতে হবে। যেসব অ্যাপ নিয়মিত ব্যবহার করা হয় না, সেগুলো আনইনস্টল করে র্যামের চাপ কমানো ভালো।
ডিভাইসের স্টোরেজ কম থাকলে ভারী অ্যাপ বা গেম চালানো এড়িয়ে চলা উচিত। নিয়মিত ক্যাশ ও অপ্রয়োজনীয় ফাইল পরিষ্কার করলে ফোনের কর্মক্ষমতা অনেকটাই স্বাভাবিক থাকে। এসব অভ্যাস গড়ে তুললে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের হ্যাং সমস্যার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
সিএ/এমআর


