শীতকালে পানি ব্যবহারে অসুবিধা এবং ঠান্ডাজনিত কারণে অনেকেই গোসল থেকে বিরত থাকেন। কেউ কেউ দুই-তিন দিন বা সপ্তাহখানেক পর পর গোসল করেন। ইসলামের নিয়ম অনুসারে, শরীর পবিত্র থাকলে এমন অবস্থায় শুধুমাত্র অজু করে নামাজ আদায় করা সম্ভব। শীতকালে গোসল না করা নামাজ আদায়ে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।
তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে কারো ওপর যদি গোসল ফরজ হয়ে থাকে, তাহলে তাকে অবশ্যই গোসল করে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। শুধু শীতকে অজুহাত হিসেবে গ্রহণ করে গোসল না করে নামাজ আদায় করা বৈধ নয়। যদি পানি ব্যবহারে বাস্তবিক ক্ষতি বা সমস্যা দেখা দেয়, এমনকি গরম পানি ব্যবহারের পরেও সমস্যা থাকে, তখন শরীরের যতটুকু অংশ ধোয়া সম্ভব তা ধুয়ে বাকি অংশের জন্য তায়াম্মুম করার সুযোগ রয়েছে।
ইসলামে নামাজ ত্যাগ করা অত্যন্ত গুরুতর পাপ। বিশেষ কিছু আলেমের মতে, জেনে-বুঝে নামাজ ত্যাগ করা ঈমানের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। তাই শীত, ব্যস্ততা বা শারীরিক কষ্ট থাকলেও তায়াম্মুম এবং অন্যান্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করেই নামাজ আদায় করা উচিত। আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তাওবা করে ভবিষ্যতে নামাজে অবহেলা না করার দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাই সঠিক পথ।
সিএ/এমআর


