অবশেষে কাঙ্খিত জয় পেল মুস্তাফিজের মুম্বাই

132

কিংসদের হারিয়ে নাইটদের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে নামবে রোহিত অ্যান্ড কোং। শুক্রবার হোলকার স্টেডিয়ামে কিংস ইলেভেনের বিরুদ্ধে ১৭৫ রান তাড়া করতে নেমে ছয় উইকেট ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। মুম্বাইয়ের জয়ে বড় ভূমিকা নেয় পান্ডিয়া। প্রথমে হার্দিকের ১৩ বলে ২৩ পরে কুণালের ১২ বলে অপরাজিত ৩১ রানের দুরন্ত ইনিংসে একাদশ আইপিএলে লড়াই জারি রাখল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। এর জয়ের ফলে এক লাফে আট থেকে পাঁচ নম্বরে উঠে এল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

রান তাড়া করতে গিয়ে শুরুটা ভালো হয়নি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সেরও। মন্থর পিচে পাওয়ার প্লে-তে লুইসের উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩৯ রান তোলে মুম্বাই। তারপর সুর্যকুমার যাদব দুরন্ত হাফ-সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে ফেরে রোহিত অ্যান্ড কোং। কিন্তু হাফ-সেঞ্চুরির পর ডাগ-আউটে ফেরেন সূর্যকুমার। ৪২ বলে তিনটি ছয় ও হাফ-ডজন বাউন্ডারি-সহ ৫৭ রান করেন তিনি। এরপর ইশান কিষান (১৯ বলে ২৫) এবং হার্দিক পান্ডিয়া ১৩ বলে ২৩ রানের ইনিংসে রান ও বলের ব্যবধান কমায় মুম্বাই।

এরপর ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা ও কুনাল পান্ডিয়া দলকে বৈতরণী পার করানোর সংকল্প নেয়। রোহিত শান্ত থাকলেও কুণানের ১২ বলে ৩১ রানের ইনিংসে এক ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ পকেটে পুরে নেয় মুম্বাই। দুটি ছক্কা ও চারটি চার মারেন কুণাল। স্ট্রাইক-রেট ২৫৮.৩৩। ১৫ বলে ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন রোহিত।

প্রথমে ব্যাটিং করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সামনে ১৭৫ রানে টার্গেট রাখল প্রীতির পঞ্জাব। শেষ ওভারে মার্কাস স্টইনিসের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে বড় রান তুলল কিংস ইলেভেন। ইনিংসের শেষ ওভারে হার্দিক পান্ডিয়ার বিরুদ্ধে দুটি ছয় ও দু’টি চার হাঁকিয়ে ২২ রান তোলেন স্টইনিস৷

এদিন শুরুতে অবশ্য চেনা ছন্দে দেখা যায়নি কিংস ওপেনিং জুটিকে৷ ২০ বলে ২৪ রান করে ডাগ-আউটে ফেরেন লোকেশ রাহুল৷ শুরুতে শান্ত ছিলেন ক্যারিবিয়ান দৈত্য৷ পাওয়ার প্লে (প্রথম ৬ ওভার) মাত্র ৪৯ রান তোলে পঞ্জাব। তার পরের ওভারেই আউট হন রাহুল।

‘গেইল ঝড়’ উঠলে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। হাফ-সেঞ্চুরির পরই ডাগ-আউটে ফেরেন গেইল। ৪০ বলে দু’টি ছয় ও ছ’টি বাউন্ডারি-সহ ৫০ রান করেন বাঁ-হাতি ওপেনার।

এর পর থেকে নিয়মিত উইকেট হারানোয় চাপে পড়ে যায় কিংস ব্যাটিং। চূড়ান্ত ব্যর্থ যুবরাজ সিং। এদিন মাত্র ১৪ রান করে রান-আউট হন বাঁ-হাতি। চলতি আইপিএলে যুবির সর্বোচ্চ স্কোর ২০। শেষ দিকে করুণ নায়ার ও স্টইনিসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে দেড়শোর গণ্ডি টপকায় পাঞ্জাব। শুধু তাই নয়, শেষ ওভার ২২ রান তুলে মুম্বইকে কঠিন চ্যালেঞ্জ দেয় প্রীতির সৈন্যরা। ১৫ মাত্র ২টি ছয় ও ২টি চার-সহ ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন স্টইনিস৷ আর ১২ বলে ডাবল ছক্কায় ২৩ রান করেন নায়ার।

এই জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে তিনটিতে জয় পেল মুম্বাই। আগের ম্যাচে চিন্নাস্বামীতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে হেরে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল রোহিতদের। এদিন তাই জয় ছাড়াই কিছু ভাবেনি রোহিতবিগ্রেড।

শেষ পর্যন্ত কিংসদের হারিয়ে লড়াইয়ে ফিরল মুম্বাই। কিংসদের হারিয়ে বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে রবিবার ওয়াংখেড়েয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে নামবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here