আঞ্চলিক
নূরল জান্নাত মান্না
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় নদী ভাঙ্গন সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। নদীর পানিও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নদী ভাঙ্গন। নদী ভাঙ্গন মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে ঘরবাড়ি ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আশ্রয়হীন হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষ।উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। দক্ষিণ চরটেকি গ্রামের অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। প্রচন্ড স্রোতের কারণে গত এক সপ্তাহে গ্রামটির শতাধিক ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন অব্যাহত থাকায় দক্ষিণ চরটেকিসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে তাদের। ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি স্থাপনা।
নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙনের তীব্রতা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রশিদ, আব্দুল মালেক ও মুর্শিদ উদ্দিন তাদের ঘরবাড়ি, বাবা দাদার কবরস্থান নদীতে তলিয়ে গেছে। প্রতিদিন এসে তারা অথৈই পানির দিকে তাকিয়ে নিজেদের বাড়ির স্থানটি চেনার চেষ্টা করেন।

ভুক্তভোগীরা বলেন ‘‘আমরা সরকারের কাছে চাল ডালের মতো কোন সাহায্য চাই না। সরকারের কাছে আমাদের একটাই দাবি, নদী ভাঙ্গন বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক। তাহলেই আমাদের হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বেচে যাবে। তাহলেই আমরাও বেচে যাবো।’’