বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—সচেতনতা ও পানি পানেই সুরক্ষা**
শীতের আরামদায়ক আবহাওয়া অনেকের কাছে স্বস্তিদায়ক হলেও এ সময়ে কিডনি স্টোনের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা জানান, ঠাণ্ডা আবহাওয়ার কারণে মানুষ সাধারণত কম পানি পান করেন, ফলে শরীরে ডিহাইড্রেশন হয় এবং প্রস্রাবে থাকা খনিজ পদার্থ জমে কিডনিতে পাথর তৈরি করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, শীতকালে শরীরে পানির ঘাটতি বেশি হয়। এতে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় এবং ঘন প্রস্রাবে খনিজ উপাদান জমাট বাঁধার সম্ভাবনা বাড়ে। যাদের আগে থেকেই কিডনিতে পাথর আছে, স্থূলতা, ডায়াবেটিস বা ইউরিক অ্যাসিড বেশি—তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বাড়ে।
চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত লবণ, লাল মাংস, প্রক্রিয়াজাত ও ভাজা খাবার নিয়মিত খাওয়া কিডনিতে পাথর তৈরির প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।
কিডনি স্টোনের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
কোমর বা পেটে তীব্র ব্যথা
প্রস্রাব করার সময় জ্বালা
বমি ভাব
ঘন ঘন প্রস্রাবের অনুভূতি
শীতকালে ঝুঁকি কমাতে প্রতিদিন ১০–১২ গ্লাস পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি নুন কম খাওয়া, প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলা এবং লেবু-কমলালেবুর মতো টক ফলে থাকা সাইট্রেট গ্রহণ করা কিডনিতে পাথর গঠনের ঝুঁকি কমায়।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, কম পানি পান, লবণাক্ত খাবার এবং শীতে শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়াই কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
সিএ/এএ


