ঘরে ঘরে “মা” দিবস

108
মাহিমা মৌরসী

বিশ্বের এই করুন পরিস্থিতিতে সুন্দর  মুহুর্তগুলো ঘরে বসেই উদযাপন করছে বিশ্ববাসী। পরিবারের এতো নিকটে থাকতে পেরে অনেকেই বেশ খুশি।বাবা-মায়ের সুখ দুঃখগুলোও সন্তানরা আজ ভাগাভাগি  করে নিচ্ছে।

আজ বিশ্ব মা দিবস। মায়েদের অক্লান্ত  পরিশ্রমে, ভালোবাসায় বেড়ে উঠে একটি  পরিবার।  সৃষ্টি হয় সুন্দর  এক সমাজ, এক দেশ ও এক রাষ্ট্রের। পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র ও মধুর শব্দের নাম ‘মা’।  সুখে-দুঃখে প্রতিটি সময় মায়া, স্নেহ,ভালোবাসায় যিনি জড়িয়ে রাখেন, তিনিই মা।

প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার বিশ্ব মা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।  যদিও মাকে ভালোবাসা-শ্রদ্ধা জানানোর কোন দিনক্ষণ থাকে না, তবুও মাকে গভীর মমতায় স্মরণ করার দিন আজ।

ইতিহাসে মা দিবসঃ
প্রাচীন গ্রিসে বিশ্ব মা দিবসের পালন করা হলেও আধুনিককালে এর প্রবর্তন করেন এক মার্কিন নারী। ১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আনা জারভিস নামের নারী মারা গেলে তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য সচেষ্ট হন। ওই বছর তিনি তার সান ডে স্কুলে প্রথম এ দিনটি মাতৃদিবস হিসেবে পালন করেন। ১৯০৭ সালের এক রবিবার আনা মারিয়া স্কুলের বক্তব্যে মায়ের জন্য একটি দিবসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।

১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘মা’ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।।

 এভাবেই শুরু হয় মা দিবসের যাত্রা। এরই ধারাবাহিকতায় আমেরিকার পাশাপাশি মা দিবস এখন বাংলাদেশসহ অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চীন, রাশিয়া, ব্রাজিল, ইন্ডিয়া,পাকিস্তান  ও জার্মানসহ শতাধিক দেশে মর্যাদার সঙ্গে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

প্রতি বছর এই দিনটি স্মরণ করিয়ে দেয় প্রিয় মায়ের মর্যাদার কথা। মায়ের মতো  আপন আর কেউ নেই তাই তো করোনার এই দিনগুলোতে মায়ের এত কাছে থাকতে পারাটাই যেন আশীর্বাদ।
সুন্দর ও সুস্থ হোক প্রতিটি  সন্তান ও মায়ের ভালোবাসা। মায়েদের স্নেহ-মমতা, ভালোবাসায় গড়ে উঠুক আগামীর পৃথিবী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here